 |
| পড়ালেখার নামে স্কুল-কলেজের ছেলে-মেয়েরা কি করছে? |
পড়ালেখার নামে স্কুল-কলেজের ছেলে-মেয়েরা কি করছে?
আধুনিক মননশীলতার নামে বর্তমান যুগের ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে নোংরামি ছড়িয়ে পড়েছে। তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। আগে যে নোংরামি সবার চোখের আড়ালে হতো,এখন তা হচ্ছে সবার সামনে। শুধু সামনে বললে কম বলা হবে,বলা ভালো ব্যস্ত রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে লোককে দেখানোর জন্যই এসব করা হচ্ছে।আধুনিকতার নামে নোংরামি আর বেয়াদবি এখন ফ্যাশান। বর্তমানে সিনেমায় নয় বাস্তবে ছেলে বাবা এক সাথে বসে মদ খায় ,নর্তকী নিয়ে নাচে।এটাই বর্তমান সমাজের মুক্তমনা পরিবারের সিম্বল।মেয়ে মাকে বয়ফ্রেন্ডকে বিয়ে করতে বললে মেয়ের জবাব,আমার সমাজ লাগবে না ও আমার পরিবার ,ধর্ম সমাজ।হ্যাঁ এগুলো হল আধুনিকতা মুক্তমনা আধুনিক বন্ধুতাপূর্ন পরিবারের চিএ।আপনার সন্তান এগুলো দেখে ভাবছে শিখছে এটাই বোধ হয় ঠিক।আজ মেয়েকে সানি লিওন জামা কিনে দিচ্ছেন,কাল বলবে মা আমি সানি লিওন হবো । তখন কি করবেন?কেন আজ আমাদের সমাজের ছাত্র-ছাত্রীদের এই পরিণতি কেন আজ আমাদের ছাত্র-ছাত্রীদের এত চারিত্রিক অধঃপতন। এখানে অনেকগুলো কারণ আছে হয়তো বা কারণগুলো বললে পরে আমাকে অনেকে অচল পয়সা বা সেকেলে ব্যাক মাইন্ডেড লোক হিসেবে আখ্যায়িত করবে।এই ভিডিওটা তৈরি করতেও আমার লজ্জা লাগছে তবুও সকলের সচেতনতার কথা বিবেচনা করেই কেবল এই ভিডিওটা তৈরি করছি।হয়তোবা আমার কথা গুলো শুনে অনেকেই বিরাগভাজন হবে।আজকাল যে ছেলের লুঙ্গি পরে ঘুমালে রাতে লুঙ্গিটার ঠিক থাকে নাউত্তর,দক্ষিণ,পূর্ব,পশ্চিম ছাড়া যে আরো ছয়টা দিক আছে সেগুলো তারা জানে না অথচ তারাও আজ হাটু গেঁড়ে বসে হাতে গোলাপ নিয়ে ফিল্মি ষ্টাইলে প্রেম নিবেদন করে।যে অল্পবয়স্ক মেয়েটার এখনো পিরিয়ড শুরু হয়নি,শুরু হলেও যে মেয়েটার এই বয়সে পিরিয়ডের রক্ত দেখে ভয়ে চিৎকার করে উঠার কথা,যে মেয়েটা এখনো পায়জামার ফিতাটা ঠিক মতো বাঁধতে পারে না সেই মেয়েটা আজ তারই বয়সি একটা ছেলেকে বুকে জড়িয়ে ধরছে আর প্রকাশ্যে চুমু খাচ্ছে।ভাবতে পারেন দেশ কতোটা এগিয়েছে? আমরা কতটুকু আধুনিক হয়েছি?ক্লাশের বইগুলোতে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে যৌনতা।'বয়ঃসন্ধি' কালের পাঠ দিতে গিয়ে তাদের অপ্রাপ্তবয়স্ক মাথায় ঢুকানো হচ্ছে এসব।ছেলে-মেয়েরা ক্লাশরুমে এগুলো একসাথে বসে পড়ছে।পড়ে পড়ে একে-অন্যের দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে হাসছে। বর্তমান শিক্ষায় তাদের জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে, এই এই ব্যাপারগুলা তোমার সাথে ঘটলে বুঝবা তোমার এখন বয়ঃসন্ধি চলছে ।এসময় এইসব বিষয়ে মোটেই লজ্জা পাবে না।বন্ধু-বান্ধবির সাথে শেয়ার করবে।হ্যাঁ, সত্যি তারা শিক্ষকদের কথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করছে তারা এখন বয়ঃসন্ধি আসার আগেই সব কিছু শেয়ার সেরে ফেলেছে। বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় এরাই সেই প্রজন্ম, যারা অপারেশান সার্চ লাইট কি জানেনা?জানেনা স্বাধীনতা দিবস কবে?জানেনা ভাষা দিবস কবে?!জানেনা ভাষা শহীদদের নাম?জানেনা মুক্তি যুদ্ধের সেক্টর কমান্ডদের নাম?জানেনা জাতীয় সঙ্গীতের রচয়িতার নাম?জানেনা রণসঙ্গীতের রচয়িতার নাম?এরা জানেনা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী শেরে বাংলা ফজলুল হক,প মওলানা ভাষানীর নাম?এরা জানেনা ক্ষুদিরাম,তিতুমীরের নাম।এরা জানেনা খাদিজা,আয়েশা,ফাতিমার নাম কিন্তু এদের মোবাইলের ব্রাউজিং হিষ্ট্রি চেক করে দেখুন, দুনিয়ার সব পর্ণ সাইটে এদের বিচরন।এই যে ছেলে-মেয়েগুলো এতো আধুনিক হয়ে উঠছে, এর আল্টিমেইট রেজাল্ট কি জানেন?প্রেম করবে। লিভ টুগেদার করবে।ঘরে ঘরে পতিতা সৃষ্টি করবে।মেয়েগুলার পেটে যখন একসিডেণ্টলি তাদের বয়ফ্রেন্ডের ফসল চলে আসবে,তখন তারা বিয়ের জন্য বয়ফ্রেন্ডকে প্রেশার দিবে।আজকে যে ছেলেগুলা হাটু গেঁড়ে ফিল্মি ষ্টাইলে প্রপোজ করে রোমিও সাজছে,সেদিন সেইসব রোমিওরা তাদের প্রেগন্যান্ট গার্লফ্রেন্ডকে ক্যারিয়ারের অজুহাত দেখাবে,বাবা-মা'র অজুহাত দেখাবে,সমাজের অজুহাত দেখিয়ে বিয়ে করতে পারবেনা বলে জানাবে।আমাদের প্রগতিশীল,মুন্তমনা সমাজও মেয়েটাকে আর নেবেনা।তারাও তখন তাকে বলবে'পতিতা।'বদচলন,নোংরা,কুলটা,কলংকিনী আরো কতো কি !মেয়েটা একটা সুইসাইড নোট লিখবে।এরপর বিষ খেয়ে কিংবা ফ্যানের সাথে ঝুলে দায়মুক্তি করে যাবে।অথবা অন্য কারো সাথে আবার নিজের দুশ্চরিত্র টাকে ঢেকে চরিত্রবান হয়ে আরেকজনের জীবনে প্রবেশ করবে।তাই বলছি নিজের স্বভাব চরিত্র পাল্টান।নিজের বিবেক কে সচেতন করুন।।দেখবেন সমাজটা আপনা আপনিই পাল্টে যাবে।দেশের এই সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নোংরামি আস্তে আস্তে উঠে যাবে।কিন্তু আগে নিজেকে বদলাতে হবে।কারণ নিজেকে পাল্টাতে হলে আগে নিজেকে ভালো করে চিনুন। দেখবেন আপনার বহিরাগত চিন্তাধারা এমনিতেই পালটে যাবে ইনশাআল্লাহ।একটু দেখা, কিছুটা পরিচয়, মোবাইলে কথোপকথন আর এক সময় পার্কে বসে আড্ডা বা সিনেমা দেখা। আর এভাবেই একটি ছেলে বা মেয়ের সাথে সৃষ্টি হয় প্রেমের সর্ম্পক। পরবর্তীতে এই প্রেমের আড়ালে বিভিন্ন পার্ক বা থিয়েটারে বসে বাদাম খাওয়া, ছোলা খাওয়ার আড়ালে যা হচ্ছে তা রীতিমত পশ্চিমাদেরও হার মানিয়েছে বাংলাদেশ।প্রেম ভালোবাসার নামে এখানে সেখানে অবাধ মেলামেশা আর ছেলে মেয়ের যৌন চাহিদা হরহামেশাই পূরণ হয়ে যাচ্ছে। কখনো কখনো স্কুল কলেজের ক্লাস ফাঁকি দিয়ে চলে যাচ্ছে আবাসিক কোন হোটেলে।বাংলাদেশে সমবয়সীদের সাথে ভালোবাসার বিষয়টি বেশি লক্ষনীয়। যার কোন ভবিষ্যত নাই। ছেলেটির যোগত্যা অর্জনের বহু আগেই মেয়েটির পাড়ি জমাতে হয় শ্বশুরবাড়ি, অতঃপর সন্তানের জননী হয়ে দিব্বি সংসারি হয়ে যায়। অথচ এরাই লেখাপড়া নামে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে সমবয়সীদের সাথেই অবাধ মেলামেশায় জড়িয়ে পড়ে।কখনো কখনো গর্ভবতীও হয়ে পড়ে। আর পরিবারকে সে কখা না জানাতে পেরে অনেকেই বেছে নেয় আত্মহত্যার পথ। মূলত, এই প্রেমের আড়ালে চলছে নারী দেহ ভোগ আর উভয়ের যৌন চাহিদা পূরণ।নিজেদের শারীরিক চাহিদা মেটানোর জন্য মোটামুটি একটি প্রেমিক বা প্রেমিকা হলেই হয়। যার মন বা আচরণ ভালো হোক না হোক দেহটা তার সুন্দর হলেই আজকাল প্রেম হয়ে যাচ্ছে।রাজধানীর বিভিন্ন কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় ও পার্ক ঘুরে দেখা গেছে প্রেমের নামে তারা লুটোপুটি খাচ্ছে একজন আরেকজনের উপরে। সন্ধ্যা বা বিকালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান রমনা পার্ক বা আশপাশ এলাকায় গেলে দেখা যায় হরেক রং বেরঙের কাপড় পরে তারা বেড়িয়েছে শুধু প্রেম করার জন্য। আর প্রেম ভালোবাসার নামে কখনো প্রকাশ্যেই একে অপরকে জড়িয়ে চুমু খাচ্ছে আলিঙ্গন করছে।ভদ্রলোকদের দেখে হাত দিয়ে চোখ ঢেকে চলাফেরা করতেও দেখা গেছে। দিনের আলোতেই এসব এলকায় ভদ্রলোকদের জন্য চলাফেরায় লজ্জায় পড়তে হয় আর সন্ধ্যার পরতো ভাবাই যায় না কি হয় এখানে।প্রেমের নামে সাময়িক সুখ পেতে জলাঞ্জলি দিচ্ছে নিজেদের আত্মসম্মান। শুধু তাই শারীরিক সেই ‘নষ্টামি’ সুখ স্মৃতি ধরে রাখতে মোবাইলের ক্যামেরা দিয়ে ভিডিও করা হয যখন তখন। এসব ভিডিও ইন্টারনেট এর মাধ্যমে পৌছে যায় সবার হাতে ।সমাজের ছোট বড় সব বয়সের ছেলে মেয়েরা দেখতে থাকে অতি আধুনিক প্রেমিক প্রেমিকাদের দ্বারা তৈরী করা এসব ভিডিও।বিষয়টি ঘৃণার নয় লজ্জার হলেও এসব দেখার যেন কেউ নেই ।এমন কি প্রেমিক প্রেমিকাদের হাতে তৈরী করা এসব নোংরা ভিডিও প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মেমোরি কার্ডে তে কপি হচ্ছে বিদ্যুতের চেয়েও দ্রুত গতিতে । বিদেশি পর্ণো ভিডিও নয় আমাদের দেশের পর্ণো ভিডিও দিয়েই সয়লাব প্রতিটি কম্পিউটার ।বিভিন্ন কম্পিউটারের দোকানে অনুসন্ধান করে যারা গেছে, তাদের কম্পিউটার ড্রাইভে সামাজিক গান ছবি বা নাটকের চেয়ে অনেক বেশি পরিমাণে যৌন বিষয়ক ভিডিও সংরক্ষণ করা আছে যার বেশির ভাগই দেশি পর্নো ভিডিও। রাজধানীর বিভিন্ন কম্পিউটারের মেমোরি কার্ড লোড করার নামে জানা যায় তাদের কাছে এই পর্নো বেশি পরিমাণে নেয়া হয়।প্রতিদিনই নতুন নতুন পর্নো আসছে কি না তা জানতে ভদ্রবেশি কাস্টমাররা ভিড় করে দোকানে। তবে আধুনিক আর মোবাইলে মেমোরি প্রযুক্তি আসাতে কেউ আর তেমন পর্নো সিডি ভিডিও কেনে না বলেও জানান দেকানদাররা।মোবাইলে পর্নো ভিডিও নেয়া কাস্টমারের মধ্যে সব বয়সী থাকলেও এর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে তরুণরাই বেশি বলেও জানা যায়। এছাড়াও ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রেমিক প্রেমিকাদের দিয়ে তৈরি করা হাজার হাজার পর্নো ভিডিও পাওয়া গেছে।এর মধ্যে ৯৯ ভাগ ভিডিওই হচ্ছে স্কুল কলেজের পড়ুয়া ছাত্র ছাত্রীদের।ইন্টারনেটে পাওয়া পর্নো ভিডিও গুলোর মধ্যে রাজধানী নামিদামি স্কুল কলেজসহ রয়েছে কয়েকটি জেলা কলেজেরও নাম। যারা নিজেরা যৌন চাহিদা মিটিয়ে আর এই দৃশ্য ধারণ করে ইন্টারনেটে প্রকাশ করেছে। বিভিন্ন সূত্র ও তথ্য মতে প্রাপ্ত পর্নো ভিডিও গুলো যাচাই করে দেথা গেছে, বেশিরভাগক্ষেত্রেই ভিডিওতে ছাত্রীরা নিজ ইচ্ছেই মিলিত হয়েছে শারীরিক সম্পর্কে ।শুধু ব্যতিক্রম দেখা গেছে জামালপুর একটি কলেজের পর্নো ভিডিওতে। এখানে মেয়েটি ইচ্ছায় যৌন সর্ম্পকে মিলিত হয় নি। বরং মেয়েটির আতৎচিৎকার শোনা যায়। ভিডিও তে দেখা যায় মেয়েটিকে পাঁচ মিনিটের কথা বলে প্রেমিকের বাড়ীতে আনা হয় ।তারপরে জোড় করে নগ্ন করে মোবাইলের ক্যামেরা দিয়ে ভিডিও করা হয়।মেয়েটি নগ্ন ভিডিও করা থেকে রেহাই পেতে প্রেমিকের কথা মতো শারীরিক সম্পর্কে মিলিত হয়।যদিও ভিডিওটা প্রথমবার হলেও যৌন সম্পর্ক দীর্ঘদিনের তা তাদের কথোপকথন থেকেই স্পষ্ট বুঝা যায়। আর কিছু ভিডিওতে দেখা যায় মেয়েরাই বেশি আগ্রহী যৌন লালসা পূরণের ক্ষেত্রে। সব চেয়ে ভয়ানক বিষয় হলো যত গুলো ভিডিও চেক করা হয়ে এর একটি ভিডিও তেও কোনো ছেলে মুখ দেখানো হয়নি । তার মানে এই সব ভিডিও করা মেয়েদের কে ব্ল্যাকমেইল অথবা ফ্রি সেক্স করার জন্য ।তবে দেশের বিভিন্ন দোকান আর বিভিন্নস্থানে পর্নো ভিডিও হাত বাড়ালেই পাওয়া গেলেও প্রশাসনের এই বিষয়ে কোন তৎপরতা দেখা যায়নি। বর্তমানে এই তরুণ প্রজন্ম মাদকের দিকেও ক্রমে ক্রমে বেশি পরিমানে আসক্তি হয়ে পরছে। কতিপয় সমাজকর্মীদের সাথে কথা বললে তারা বলেন, দেশের এই মাদকাশক্তি আর পর্নো ভিডিও যে হারে ছড়াচ্ছে তাতে দেশের আগামীর প্রজন্মে ভবিষৎ অন্ধকার বলে মনে করেন। আর সন্তানের লেখাপড়া ও তার বন্ধুবান্ধব সকল বিষয়ে বাবা মা কে খেয়াল রাখার কথা বলেন। তাহলে হয়তো এই আগ্রাসী যৌনতার প্রেম হতে সমাজকে রক্ষা করা যেতে পারে বলে মত দেন। আমার কথায় যদি কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন তাহলে আন্তরিক ভাবে সবার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি,প্লিজ আমাকে মাফ করবেন।তাই আমাদের উচিত সময় থাকতে সচেতন হওয়া আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতি,ধর্মীয় মূল্যবোধ, সামাজিকতা দায়বদ্ধতা থেকে আমাদেরকে আমাদের মত করে চলতে হবে।এই সমস্ত নোংরা পাশ্চাত্য সংস্কৃতিকে দূরে সরিয়ে রাখতে হবে।যে পাশ্চাত্য সংস্কৃতি আধুনিকতার নামে ছাত্র-ছাত্রীদের কে নোংরা মন মানসিকতার দিকে ঠেলে দেয় সামাজিক অশান্তি সৃষ্টি করে, সামাজিকতার শৃংখল ভেঙে দিয়ে বিশৃংখলার সৃষ্টি করে সেই পাশ্চাত্য সংস্কৃতি আর যাই হোক স্বাধীনতা নামক মুক্তি কখনোই দিতে পারে না।তাদের স্বাধীনতা নামক যন্ত্রনির্ভর যৌন জীবনে অভ্যস্ত হয়ে স্কুল কলেজগামী ছাত্রছাত্রীরা হচ্ছে নিন্দনীয়।অনেকেই হয়তো বা পক্ষে বিপক্ষে অনেক তর্ক বিতর্ক করতে পারেন।আমি তাদের সাথে তর্ক করবো না।এ বিতর্কের উত্তর না হয় এবার আপনারাই খুঁজে দেখুন।তো বন্ধুরা আজকে এই ছিল ভিডিও টা আপনাদের জন্য।তো আপনাদের কেমন লাগলো তা অবশ্যই কমেন্ট বক্সে জানাবেন? আর যারা এখনো আমার চ্যানেলটিকে সাবস্ক্রাইব করেননি,এরকম সত্যিকারের,বাস্তব, চমকপ্রদ,রোমাঞ্চকর ঘটনা গুলো জানতে আমার চ্যানেলটিকে এখনই সাবস্ক্রাইব করে আমার পাশে থাকুন।আজ চলে যাচ্ছি,কিন্তু যাচ্ছি না আবার আসবো নতুন কোন বিষয় নিয়ে নতুন কোন ভিডিও নিয়ে আপনাদের কাছে।বন্ধুরা সেই পর্যন্ত ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এবং নিরাপদ থাকবেন এই আশা নিয়ে আজকের লেখা শেষ করছি।আল্লাহ্-হাফেজ।আসসালামু আলাইকুম।
কোন মন্তব্য নেই