হিন্দু ধর্ম ও হিন্দু ধর্মের ফ্রী সেক্সের কাহিনী।

হিন্দু ধর্ম ও হিন্দু ধর্মের ফ্রী সেক্সের কাহিনী।

আজকের এই লেখার শুরুতে আমি সকল ধর্মের ভাই বোন যারা আছেন তাদের কাছে একটা কথা খুব বিনয়ের সহিত বলতে চাই আজকের এই ভিডিওটা সম্পর্কে যদি আপনাদের কোন মতামত থাকে তাহলে অবশ্যই আপনারা ভিডিওটা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত খুব মনোযোগ সহকারে দেখবেন এবং ভিডিওর কথাগুলো খুব মনযোগ সহকারে শুনবেন এবং শোনার পর বোঝার পর আপনি একটু সুস্থ মস্তিস্কে চিন্তা করে দেখবেন যে এই ভিডিওটা সম্পর্কে আপনার ধারনা ইতিবাচক না নেতিবাচক। আর আজকের এই ভিডিওতে আমি কোন ধর্ম,বর্ণ জাতিকে ছোট করার উদ্দেশ্যে কোন কিছুই বলছি না।আমি পৃথিবীর সকল ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে বাস্তব,কঠিন অপ্রিয়,সত্য কিছু কথা আপনাদের সামনে তুলে ধরছি।হিন্দু মা-বোন দের উদ্দেশ্যে বলছি,আমি জানি আমার এই ভিডিওটা  দেখে আমার উপর আপনাদের অনেকের অনেক ঘৃনা জন্ম নেবে,কিন্তু ইহা দুঃখ জনক হলেও কঠিন, অপ্রিয়,সত্য।এই ভিডিওটি ইতিহাস আর ঐতিহ্য থেকে তুলে ধরা হয়েছে,এখানে আমার ব্যক্তিগত মতামত বা মতবাদ কিছুই নেই।এই ভিডিওতে ইতিহাস আর ঐতিহ্যের যে আলোচনা করা করা হয়েছে, তার রেফারেন্স গুলো হচ্ছে:-[তথ্যসুত্রঃ-(১) প্রাচীন ভারতে ইতিহাস,নিউ সেন্ট্রাল বুক এজেন্সি,৮/১ চিন্তামণি দাস লেন কলকাতা।তথ্যসুত্রঃ-(২)আমির খানের একটা অনুষ্ঠানের নাম ছিলো "সত্যমেভ" স্টার প্লাস চ্যানেলে দেখানো হয়েছে।[তথ্যসুত্রঃ-(৩)আল-বেরুনীর ভারত তত্ব]।[তথ্যসুত্রঃ-(৪) শ্রী বিনয় ঘোষের "ভারত বর্ষের ইতিহাস"।তথ্যসুত্রঃ-(৫)অতুল চন্দ্র রায়ের ভারতবর্ষের অজানা ইতিহাস। আপনারা চাইলে আমার কথার সত্য মিথ্যা এ রেফারেন্সগুলো দিয়ে যাচাই করতে পারেন। আর কথা বাড়াবোনা চলুন আমরা এখন মূল ভিডিওতে যাই।ফুটপাত থেকে শুরু করে অভিজাত বইয়ের দোকানে "কামসুত্র" নামক একটা মোটা বই বিক্রি করা হয়।অনেক সময় দেখা যায় মুসলিম,অমুসলিম ছেলেরা অনেক মজা করে এই বইটি পড়ে,সেক্স সম্পর্কে জানার জন্য অথবা নিছক সস্তা আনন্দ পাওয়ার জন্য।কিন্তু আমরা কি জানি এই কামসুত্র বইয়ের পাতায় পাতায় কত নির্যাতিত নারীর কান্না লুকিয়ে আছে?এই কামসুত্র বইটার ইতিহাস জানতে হলে আগে আমাদের কে দেখতে হবে ঐ বইটা আজ থেকে কত দিন বা কত বছর আগে লেখা হয়েছে কামসুত্র বইটা লিখা হয়েছে সংস্কৃত ভাষায়,কমপক্ষে তিন হাজার বছর পূর্বে এই বইটি লিখা হয়।এখন হিসাব মিলান অথবা ইতিহাস দেখেন আজ থেকে তিন হাজার বছর পূর্বে ভারতে বর্ষে পড়া শুনা লেখালেখি কারা করতো?অবশ্যই হিন্দু ব্রাক্ষ্মণরা।হ্যাঁ ক্ষত্রিয়রা পড়াশোনা জানতো তবে সেটা রাজ্য চালানোর জন্য যতটুকু দরকার ঠিক তথটুকুই।কিন্তু ক্ষত্রিয়রা কখন-ই লেখালেখির জগতে ছিলনা।প্রাচিন ভারতে লেখালেখির কাজটা শধুু ব্রাক্ষ্মণরাই করতো।ভারত বর্ষে ইসলাম আসার আগে নিম্নবর্ণের হিন্দু মেয়েরা বিয়ের আগে মন্দিরে সেবাদাসী হিসেবে কাজ করতে হতো।মন্দির ধোয়া মোছা থেকে শুরু করে মন্দিরের ব্রাক্ষ্মণ পুরাহিতদের শয্যাসঙ্গি হওয়া এরকম প্রায় সব কাজ-ই করতে হতো।এই ব্রাক্ষ্মণ পুরাহিতরা নিম্ন বর্ণের হিন্দু মেয়েদের সাতে প্রতিদিন উপুর্যপুরী ফ্রী সেক্স বা বিনামূল্যে নারী দেহ ভোগ বা যৌনকার্য করতো।এই নিম্ন বর্ণের হিন্দু মেয়েরা কিন্তু ব্রাক্ষ্মণদের কেনা দাসী ছিলনা।তারা শধুু বিয়ের আগের সময় টা সেবাদাসী হিসেবে কাজ করতে হতো।বিয়ের পর নিম্ন বর্ণের হিন্দু মেয়েদের কে আর মন্দিরে যেতে দেওয়া হতনা।ব্রাক্ষ্মণ পুরোহিতরা তখন চিন্তা করতে লাগলো আমরা যে এত মজা করে নিম্ন বর্ণের মেয়েদের সাতে ফ্রী সেক্স বা বিনামূল্যে তাদের দেহভোগ বা যৌনকার্য করি আমাদের উচিত্ এই ফ্রি সেক্স বা বিনামূল্যে  দেহভোগ বা যৌনকার্য এর ক্রিয়া কৌশল গুলো ভবিষত্ প্রজন্মকে জানানো।তখন সেই সিধান্ত থেকেই মন্দিরে বসে ব্রাক্ষ্মণ পুরোহিতরা এই কামসুত্র বইটি লিখে।তাছাড়া এই কামসুত্র বইটি একদিন লেখা হয়নি।আর শুধু মাত্র মল্লনাগ বাত্স্যায়ন নামক এক ব্যক্তিই এই বইটি লিখেননি।কিন্তু আমরা বেশির ভাগ মানুষ জানি যে মল্লনাগ বাত্স্যায়ন নামক এক ব্যক্তিই এই বইটি লিখেছিলেন।কিন্তু ইতিহাস গবেষকদের গবেষণা বলছে ভিন্ন কথা।ইতিহাস গবেষকদের গবেষণা বলছে অনেক জনের হাত দিয়ে অনেক সময় নিয়ে বইটি লেখা হয়।আর কামসুত্র বইটির  বিভিন্ন অধ্যায়কে আর বিশদভাবে বাখ্যা করে তৎকালীন ভারতীয় ব্রাক্ষ্মণ পুরাহিতরা বিভিন্ন গ্রন্থ রচনা করেন।যেমনঃ-1# শ্রী চারায়ন লেখেন "সাধারণ কাম বিচার",2# সুবর্ণাব লিখেন "যৌন কাম",3# ঘোটকমোখ লিখেন "যুবতী নারীর বিচার,4# গোমার্দীয় লিখেন "স্বামী স্ত্রীর সম্বন্ধের বিচার"5# গনিকা পূত্র লিখেন "পরস্ত্রী গমন বিচার",
6# দত্তক লিখেন "পতিতাদের কাম বিচার",
7# কুচুমার লিখনে "দেহ সৌন্দর্য যৌনিক বৃদ্ধির উপায় বিচার"।আজ ও দক্ষিন ভারতের অনেক মন্দিরের গায়ে উলঙ্গ নারী পুরুষের এই কামকলা গুলো প্রস্তর চিত্রের মাধ্যমে ফুটে আছে।হিন্দু ধর্মশাস্ত্র মতে নিম্নবর্ণের হিন্দুরা ব্রাক্ষ্মণের পা থেকে জন্ম নিয়েছে।আমির খানের একটা অনুষ্ঠানের নাম ছিলো "সত্যমেভ" স্টার প্লাস চ্যানেলে আজ থেকে চার- পাচ বছর আগে প্রতি রবিবার দেখানো হত।সেখানে আমির খান একবার হিন্দু ধর্মের জাত প্রথা নিয়ে আলোচনা করেছিলেন,সেই সত্যমেভ অনুষ্ঠানে এক মন্দিরের ব্রাক্ষ্মন পুরাহিত তার পা দেখিয়ে বলেছিলো (এই দাস রায় ভদ্র দত্ত পাল নামের এই নিম্ন বর্ণের লোকেরা ব্রাক্ষ্মণের পা থেকে জন্ম নিয়াছে।আমরা ব্রাক্ষ্মণরা এদের কোন হিসাবেই ধরিনা।আজও এই ২০১৮ সালেও দক্ষিন ভারতের প্রত্যন্ত অঞলে এখনো সেবাদাসী প্রথাটা রয়ে গেছে।দক্ষিন ভারতের প্রত্যন্ত গ্রামে এখনো কোন নিম্ন বর্ণের হিন্দু মেয়ে কে বিয়ে দিতে হলে বিয়ের আগে তাকে কোন উচ্চ বর্ণের ব্রাক্ষ্মণ পুরাহিতদের সাথে রাত কাটাতে হয়।ছিঃ সভ্য মানুষ হিসাবে দাবি করা এই আমরা এই লজ্জা রাখবো কোথায়?আজও এই সভ্য সমাজে এগুলি চিন্তা করা যায়।আপনি কি জানেন?কার মাধ্যমে ব্রাক্ষ্মণদের কাম লালসার হাত থেকে এই নিম্ন বর্ণের হিন্দু মেয়েরা মুক্তি পেয়েছিলো?আমি জানি অধিকাংশ মানুষ আমরা জানি না।অসুবিধা নেই আমি আজ জানিয়ে দিচ্ছি।উমাইয়া খিলাফতের সময় মুহাম্মদ বিন কাসিম যখন রাঁজা দাহির কে পরাজিত করে পাকিস্থানের সিন্দু জয় করেন তখন এই মহান মুসলিম সেনাপতি মুহাম্মদ বিন কাসিম প্রথম ভারত বর্ষে এই সেবাদাসি প্রথাটা বন্ধ করেন।নিম্ন বর্ণের হিন্দু মেয়েরা তখন কৃতজ্ঞায় মুহাম্মদ বিন কাসিমের মূর্তি বানিয়ে পূজা শুরু করে দিয়েছিলো। পরে অবশ্য মুহাম্মদ বিন কাসিম নীজে উনার সকল মূর্তি ভেঙ্গে ফেলেন।এই জন্য-ই স্বামী বিবেকানন্দ দাস বলেছেন "ইসলামতো ভারত বর্ষের নিপিড়ীত জনগনের জন্য ইশ্বরের আশীর্বাদ হয়ে এসেছিল"।চিন্তা করে দেখুন ইসলম যদি ভারতে বর্ষে না আসত তাহলে কি যে হত।আমি খুবি অবাক হয়ে  যখন দেখি অনলাইনে ইউটিউবে,ফেইসবুকে অথবা ব্লগ গুলোতে  উচু বংশের ব্রাক্ষ্মণ সহ অন্যান গোত্র যেমন দাস রায় ভদ্র দত্য পালের মত এই নিচু বংশের মেয়েরা ইসলাম ধর্মকে গালি গালাজ করে।আরে ইসলাম-ইতো এই সব নিম্ন বর্ণের হিন্দু মেয়েদের কে ব্রাক্ষ্মণদের লালসার হাত থেকে বাচিয়েছিলো।ইসলাম ধর্ম যদি ভারত বর্ষে না আসতো তাহলে হে হিন্দু মা,বোনেরা আপনরা হয়তো এখনো কোন ব্রাক্ষ্মণদের সেবাদাসী হিসেবেই থাকতে হতো।আর এই কারনেই ব্রাক্ষ্মণ ছেলেদের এত রাগ ইসলাম ধর্মের উপর।কারন একমাত্র ইসলামের জন্য-ই তারা ফ্রী সেক্স বা বিনামূল্যে নারী দেহভোগ বা যৌনকার্য থেকে বঞিত হয়েছিলো।আজকে সেই অনেক হিন্দু ভাই বোনেরা প্রতিদিন আল্লাহ ও তাঁর রাসূল কে গালিগালাজ করে যাচ্ছে, আমি তাদের কে অনুরোধ করবো আপনারা আগে শ্রী বিনয় ঘোষের "ভারত বর্ষের ইতিহাস" এই বইটা পড়ে আপনাদের ধর্মের সেবাদাসী প্রথাটা আগে ভাল করে বুঝেন।তার পর দ্বীন ইসলামের সমালোচনা করেন।অতুল চন্দ্র রায় থেকে শুরু করে অনেক বড় হিন্দু ঐতিহাসিক ব্রাক্ষ্মণদের লালসার হাত থেকে নিম্ন বর্ণের হিন্দু মেয়েদের বাচানোর জন্য মুসলিম শাসকদের উচ্ছসিত প্রশংসা করেছেন আজকে যেই সব হিন্দু ভাই বোন প্রতিদিন আল্লাহ ও তাঁর রাসুল কে গালিগালাজ করে যাচ্ছেন সেই সব হিন্দু ভাই বোন প্রাচিন ভারতের ইতিহাস সম্পর্কে বিন্দু মাত্র সঠিক ইতিহাস জানেনা।।যে ধর্ম তার অসহায় মেয়েদের কে মন্দিরের পুরাহিতদের লালসার বস্তু বানায় আর যাই হোক সেই ধর্ম মানব জাতিকে কখনো মুক্তি দিতে পারবেনা।

কোন মন্তব্য নেই

Goldmund থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.